Total Pageviews

Its Awesome!

Tuesday, July 11, 2017

 1:55 PM         No comments
 ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ৮০ শতাংশ ঋণগ্রহীতাই জামায়াতের সঙ্গে জড়িত বলে জানানো হয়েছে জঙ্গি অর্থয়নের উৎস অনুসন্ধান কার্যক্রম আরও জোরদার করা এবং অধিকতর সমন্বয়ের লক্ষে গঠিত টাস্কফোর্সের তৃতীয় সভায়।

সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল বলেন, ইসলামী ব্যাংকে বর্তমানে ৬৭ হাজার ৯২৫ কোটি টাকার আমানত আছে। গ্রাহক সংখ্যা ১ কোটি ২০ লাখ; যার ৮০ শতাংশ সাধারণ ধর্মভীরু মানুষ। এর মধ্যে ২০ শতাংশ আমানতকারী জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের। ওই ২০ শতাংশ আমানতকারীই জঙ্গিবাদের অর্থের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকে মোট ঋণের পরিমাণ ৬১ হাজার ৬৪১ কোটি টাকা। বর্তমানে ৭ লাখ ৫১ হাজারের মতো ঋণগ্রহীতা আছে, যার ৮০ শতাংশ জামায়াত ও ছাত্রশিবির নেতাদের দখলে। বাকি ২০ শতাংশ সাধারণ ঋণগ্রহীতা ও ব্যবসায়ী।
তবে গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য বলছে, ৮০ ভাগ না; ঋণের ৯০ ভাগই জামায়াতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দখলে।
সভায় পুলিশের মহাপরিদর্শক শহীদুল হক বলেন, যারা ধর্মকে ব্যবহার করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে, তাদের কঠোর নজরদারিতে আনা দরকার। একইসঙ্গে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, ইসলামী ব্যাংক পরিচালনায় ৭ জন নিরপেক্ষ পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদ ইসলামী ব্যাংকের জঙ্গি অর্থায়নসহ বিভিন্ন অনিয়ম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবেন।
তিনি বলেন, শরিয়া ব্যাংকের দুটি নীতি ওয়াদিয়া ও মুদারাবা অনুযায়ী আমানতকারীর কাছ থেকে আমানত গ্রহণ করা হয়। মুদারাবা আমানতকারীদের চুক্তি অনুযায়ী লভ্যাংশ দেয়; যা ওই আমানতকারীদের হিসাবে প্রদান করা হয়। কিন্তু আল ওয়াদিয়া আমানতের ক্ষেত্রে কোনো লভ্যাংশ দেওয়া হয় না। এক্ষেত্রে লভ্যাংশের হিসাবও করা হয় না। ফলে আমানতকারীদের উদ্বৃত্ত লভ্যাংশের বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায় না।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু সালেহ মো. জহরুল হক, বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিনিধি। বৈঠকে গোয়েন্দা সংস্থাসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ইসলামী ফাউন্ডেশনের পক্ষ হতে প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়।
Reactions:

0 comments:

NetworkedBlogs

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Blog Archive