Total Pageviews

Its Awesome!

Thursday, June 8, 2017

 12:00 PM         No comments
চলতি অর্থ-বছরের (২০১৭-১৮) প্রস্তাবিত বাজেটে নিত্যব্যবহার্য পণ্যে বাড়তি শুল্ক-ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে। অথচ বিলাসপণ্যে ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা দেয়া হয়েছে। যেখানে নিত্যব্যবহার্য পণ্য সাবান ও ডিটারজেন্টের ভোক্তাপর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাটের পাশাপাশি ২৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্কারোপ করা হয়েছে। অথচ বিলাসপণ্য হওয়ার পরও সানস্ক্রিনসহ হাত, নখ বা পায়ের প্রসাধনসামগ্রীর ওপর সম্পূরক শুল্ক ধরা হয়েছে মাত্র ১০ শতাংশ।

আবার সর্বজনব্যবহূত বৈদ্যুতিক পাখায় ১৫ শতাংশ ভ্যাটের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্কারোপের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। আর এর বিপরীতে কম ব্যবহূত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্রকে দেয়া হয়েছে ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা। এভাবে নিত্যব্যবহার্য আরও অনেক পণ্যে বাড়তি শুল্ক-ভ্যাট আরোপ করে অপেক্ষাকৃত ছাড় দেয়া হয়েছে অপ্রচলিত ও বিলাসপণ্যে। রাজস্বের লক্ষ্য অর্জনের তাগিদ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ উদ্যোগ নিলেও ব্যবসায়ীরা একে দেখছেন বাজেটের অসঙ্গতি
প্রস্তাবিত বাজেট পর্যালোচনায় দেখা যায়, নিত্যব্যবহার্য নারকেল তেলের সরবরাহ পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও পরিশোধিত নারকেল তেল আমদানিতে ২৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্কারোপ করা হয়েছে। প্রসাধনসামগ্রীর মধ্যে শ্যাম্পুও নিত্যব্যবহার্যের মধ্যে পড়ে। ভোক্তাপর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাটের পাশাপাশি একই হারে সম্পূরক শুল্কারোপ করা হয়েছে পণ্যটির ওপর। এর বিপরীতে বিলাসবহুল ও তুলনামূলক অপ্রচলিত হওয়ার পরও কেশ স্থায়ীভাবে তরঙ্গায়িত অথবা সরল করার প্রসাধনকে অপেক্ষাকৃত ছাড় দিয়ে ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্কের প্রস্তাব রয়েছে বাজেটে। ১০ শতাংশ হারে সম্পূরক শুল্ক প্রস্তাব করা হয়েছে কেশ বার্নিশ ও সুগন্ধযুক্ত বাথ সল্টের ওপরও।
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, বাজেটে ভ্যাট-শুল্ক অব্যাহতি বা হ্রাস-বৃদ্ধির এসব প্রস্তাব অসঙ্গতিপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি। নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্যে ছাড় দেয়া হলেও অপ্রয়োজনীয় অনেক পণ্য এ তালিকায় ঢুকে পড়েছে। আবার মানুষের নিত্যব্যবহার্য অনেক পণ্যে নতুন করে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্কারোপ করা হয়েছে। বাজেটের প্রস্তাবনা অনুযায়ী আবাসন খাত অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে এখনো আলোচনার সুযোগ রয়েছে। আমরা মনে করি, অর্থমন্ত্রী জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে এতে পরিবর্তন আনবেন।
কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) চেয়ারম্যান গোলাম রহমান অভিযোগ করে বলেন, শুধু রাজস্ব বাড়ানোর চিন্তা থেকেই এনবিআর এমনটা করেছে। এনবিআর ভ্যাট অব্যাহতির যেসব পণ্যের নাম দিয়েছে, তার অধিকাংশই হাস্যকর। অপ্রচলিত ও অনেক বিলাসপণ্যে অব্যাহতি দিয়ে তালিকা বড় করা হয়েছে। অন্যদিকে জ্বালানি তেল, মসলা, সাবানসহ বহু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে ভ্যাটের পাশাপাশি সম্পূরক শুল্কারোপ করা হয়েছে। এতে স্বাভাবিকভাবেই জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়ে যাবে। 
সূত্র: বণিক বার্তা
Reactions:

0 comments:

NetworkedBlogs

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Blog Archive