Total Pageviews

Its Awesome!

Saturday, June 3, 2017

 11:10 AM         No comments
বিজ্ঞানীরা মনে হয় আমাদের গ্রহের সবকিছুই অধ্যয়ন করে শেষ করেছেন। তাদের নিরলস গবেষণায় এমন কিছু আকর্ষণীয় বিষয়ও উঠে এসেছে যার কোনো সুস্পষ্ট বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা তারা দিতে পারেননি। এগুলো পৃথিবীর বুকে আজও রহস্যই থেকে গেছে। আজকের আয়োজনে এমনই ১১ বিস্ময়কর রহস্য সম্পর্কে জেনে নিন।

আকাশ থেকে পড়া জেলি। ছবি: সংগৃহীত
০১. ১৯৯৪ সালের আগস্ট মাসে, ওয়াশিংটনের ওকভিলে একটি অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটে। বৃষ্টির পরিবর্তে আকাশ থেকে জেলির মতো পদার্থ আকাশ থেকে পড়তে শুরু করে। তার পরেরদিন অনেক মানুষ ভাইরাসজনিত রোগে আক্রান্ত হয়। বিজ্ঞানীরা পদার্থগুলো বিশ্লেষণ করে দেখতে পান- এতে দুই ধরনের ব্যাকটেরিয়া রয়েছে যা মানুষের পাকস্থলিতে পাওয়া যায়। বিজ্ঞানীরা ব্যাকটেরিয়া এবং এই রহস্যময় মহামারির মধ্যে কোনো সম্পর্ক খুঁজে পাননি।
স্তন্যপায়ী প্রাণীর জীবন। ছবি : সংগৃহীত
০২. পৃথিবীতে এমন অনেক প্রজাতি আছে যাদের পূর্বপুরুষ নেই। কেউ জানে না যে, উভচর প্রাণীরা আসলে মাছ থেকে জন্মেছে। কারণ প্রথম স্থলপ্রাণীর অঙ্গ-প্রতঙ্গ এবং মাথা মাছের মতোই ছিল। ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে ডায়নোসর বিলুপ্ত হয়ে যায় প্রবল বন্যার কারণে। ঠিক ঐ সময়, কোথাও স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেখা মেলেনি।
উত্তরমুখী দাঁড়ানো গরু। ছবি: সংগৃহীত
০৩. গুগল সার্চ করে বিজ্ঞানীরা হাজার হাজার গরু ও গাভীর ছবি দেখে একটি অদ্ভুত প্যাটার্ন আবিষ্কার করেন। বিজ্ঞানীরা দেখতে পান, সব মহাদেশের ‍প্রায় ৭০% গরু পানি বা খাবার খাওয়ার সময় উত্তর বা দক্ষিণ দিকে মাথা ঘুরিয়ে দেয়। গরুগুলো কেন এমনটা করে তার রহস্য আজও আবিষ্কৃত হয়নি।

বিড়াল যেভাবে গড়গড় শব্দ করে। উৎস: সংগৃহীত
০৪. বিড়াল যখন গড়গড় শব্দ করে তখন তারা সুখ অনুভব করে। কিন্তু এই ব্যাপারটি কীভাবে হয় কেউ জানতে পারে না। মানুষ কখনোই তাদের হৃদস্পন্দন শুনতে পারে না।
মহাবিশ্বের ২৭ শতাংশ জায়গাই অন্ধকার। ছবি : সংগৃহীত
০৫. মহাবিশ্বের প্রায় ২৭ শতাংশ অন্ধকার। এটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বিকিরণ দিয়ে শনাক্ত করা অসম্ভব। প্রায় ৬০ বছর আগে ‘অন্ধকার বিষয়ে’ প্রথম তত্ত্ব প্রকাশিত হয়। কিন্তু বিজ্ঞানীরা এখনও তার অস্তিত্বের সরাসরি প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
প্লুটো গ্রহের একটু দূরেই ‘কপার বেল্ট’ জায়গাটি অবস্থিত। ছবি: সংগৃহীত
০৬. প্লুটোকে এখন পর্যন্ত অফিসিয়ালি গ্রহ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এখনও আটটি গ্রহ আছে বলে বিশ্বাস করা হয়। বিজ্ঞানীরা প্লুটোর আশেপাশে ‘কপার বেল্ট’ নামের একটি জায়গা আবিষ্কার করেছেন যা প্লুটো থেকেও বড়। কপার বেল্টে এমন কিছু বড় গর্ত তারা দেখতে পান যেখানে পৃথিবীর মতো বড় পাথরগুলো টেনে নিয়ে যায়।
ডানহাতি ও বামহাতি মানুষের সংখ্যা। ছবি: সংগৃহীত
০৭. পৃথিবীর ৭০% থেকে ৯৫% মানুষ ডানহাতি এবং ৫% থেকে ৩০% মানুষ বামহাতি। এটি আসলে জিনঘটিত ব্যাপার। বামহাতি বাচ্চারা সমাজে ডানহাতি বাচ্চাদের দ্বারা প্রভাবিত হয় এবং একটা সময় তারাও ডানহাতি হয়ে যায়।
বিলুপ্ত ‘মেগাফুনা’ প্রাণীর ফলিশ। ছবি: সংগৃহীত
০৮. পৃথিবী থেকে ১০,০০০ বছর আগে ‘মেগাফুনা’ নামের দৈত্যাকৃতির প্রাণীটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। কিন্তু বিলুপ্ত হওয়ার তেমন কোনো শক্ত কারণ নেই। কারণ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনে তারা বিলুপ্ত হয়েছে বলে বিশ্বাস করা হয়। এক তত্ত্ব অনুযায়ী বলা হয় এই সমস্ত পশুরা খাদ্যের অভাবে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কিন্তু আলাস্কার বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন, তাদের পাকস্থলি ভরা ছিল সবুজ লতা-পাতা দিয়ে।
স্বপ্ন। ছবি: সংগৃহীত
০৯. অনেকে বিশ্বাস করেন যে, মানুষ স্বপ্ন দেখে মস্তিস্কের তরঙ্গের কারণে। অনেকে তাদের অবচেতন আকাঙ্ক্ষা, অযাচিত সমস্যা এবং অভিজ্ঞতাগুলো মস্তিষ্ক বিবেচনায় আসে। স্বপ্নের অধ্যয়নকে বলা হয় অনারোগোলজি। বিজ্ঞানীরা দাবি করেন যে, স্বপ্ন মানুষের মনস্তাত্ত্বিকঘটিত কিছু লুকায়িত ব্যাপার যা আসলে কেউ জানে না।

সৌরজগতের রহস্যময় গর্জন। ছবি: সংগৃহীত
১০.  ২০০৬ সালে বিজ্ঞানীরা এক রহস্যময় গর্জন শুনতে পান। শব্দটি রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে শোনা গিয়েছিল। কিন্তু কোথা থেকে শব্দটি আসছে তা তারা বের করতে পারেননি। গবেষকরা বলেছেন, শব্দটি মহাজাগতিক সৃষ্টির সাথে সম্পর্কিত নয়।
বিভিন্ন গ্রুপের রক্ত। ছবি: সংগৃহীত
১১. বিভিন্ন শরীরে বিভিন্ন অ্যান্টিজেন থাকে। এগুলো বিভিন্ন অ্যান্টিবডি সিগন্যাল এর মাধ্যমে ক্ষতিকর বস্তু ধ্বংস করে। কিন্তু বিজ্ঞানে এর কোনো সঠিক ব্যাখ্যা নেই। এগুলো বিভিন্ন রকম হয়। রোগ আক্রান্ত হওয়া এবং অনাক্রম্যতার ব্যাপারে একটি পরামর্শ আছে। তা হলো- ‘বি-গ্রুপে’ রক্তের মানুষ রোগ আক্রান্ত কম হয় এবং ‘ও-গ্রুপের’ রক্তের মানুষের ম্যালেরিয়ায় মারা যাওয়ার ঝুঁকি কম। 
সূত্র: ব্রাইট সাইড
Reactions:

0 comments:

NetworkedBlogs

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Blog Archive