Total Pageviews

Its Awesome!

Sunday, May 7, 2017

 10:44 AM         No comments


মাগুরায় এক কলেজছাত্রীকে উত্ত্যক্ত কারার অভিযোগে কৃষ্ণ অধিকারী (২৪) নামের এক যুবককে ওই ছাত্রীর মা কুপিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
৬ মে শনিবার মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একজন নারী ৪-৫ জন ছেলেকে ডেকে এনে এক যুবককে কলেজের ভেতরে ধরে নিয়ে যান। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তিনি তাকে কুপিয়ে জখম করেন। এক পর্যায়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই যুবক সেখান থেকে পালিয়ে যান।
ওই ছাত্রীর মা বলেন, ৬ মে শনিবার মেয়ের পরীক্ষা থাকায় মা মেয়েকে নিয়ে দুপুরে বাড়ি থেকে বের হয়ে মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে যাচ্ছিলেন। সে সময় কৃষ্ণ মোটরসাইকেল নিয়ে তাদের পিছু নেয়। কলেজ গেটে পৌঁছালে কথা আছে বলে কৃষ্ন তার মেয়ের হাত ধরে টান দেয়। এ সময় ২টা বেজে যাওয়ায় মেয়েকে দ্রুত পরীক্ষার রুমে পৌঁছে দিয়ে আসেন তিনি। এসে দেখতে পান কলেজের সামনে চায়ের দোকানে কৃষ্ণ বসে আছে। ওই সময় তিনি তাকে চড়-থাপ্পড় মারেন।
মেয়েদের সঙ্গে বখাটেপনা করার কারণে এলেকার লোকজনও কৃষ্ণকে মারধর করেন বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও জানান, ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার আলফাপুর গ্রামের অসিত অধিকারীর ছেলে কৃষ্ণ অধিকারী দীর্ঘদিন ধরে মাগুরার শ্রীপুর কলেজের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। এ ঘটনার আগেও শ্রীপুর কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা কৃষ্ণকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছিলেন। ওই সময় মান-সম্মানের ভয়ে মামলা না করায় একদিন হাজতবাসের পর সে ছাড়া পেয়ে যায়। কিন্তু তার মেয়ের পিছু ছাড়েনি।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত কারে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, দুই-তিন মাস আগে এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার দায়ে শৈলকুপার আলফাপুর গ্রামের কৃষ্ণ নামে এক বখাটেকে জনগণ থানায় সোপর্দ করেছিল। কিন্তু ওই মেয়ে বা তার অভিভবকরা মামলা না করায় সে সময় ওই বখাটের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। 
মাগুরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কৃষ্ণ বলেন, ওই মেয়ের সঙ্গে তার আগে একবার ঝামেলা হয়েছিল। শ্রীপুর থানায় সালিশ করে তিনি তা মিটিয়ে ফেলেন। তবে সে সময় এ ঘটনায় একরাত হাজতবাস করেছিলেন।
তবে আজকের বিষয়ে তিনি কিছুই জানে না দাবি করে বলেন, ‘কলেজের সামনে বসে চা খাওয়ার সময় হঠাৎ ওই মহিলা এসে কয়েকজন যুবককে সঙ্গে নিয়ে আমাকে ধরে নিয়ে যান। পরে তাদের সহযোগিতায় তিনি চাপাতি দিয়ে আমাকে কুপিয়ে জখম করেন। এরপর দৌড়ে পালিয়ে মাগুরা হাসপাতালে এসেছি।’
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, পুলিশী নজরদারিতে মাগুরা হাসপাতালে ওই যুবকের চিকিৎসা চলছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। উত্ত্যক্ততের শিকার ছাত্রী বা তার মা মামলা করলে তাকে আটক করে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
Reactions:

0 comments:

NetworkedBlogs

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Blog Archive