Total Pageviews

Its Awesome!

Wednesday, March 8, 2017

 9:29 PM         No comments



বিধ্বস্ত ফুকুশিমা পরিষ্কার করে তোলার ৪ ট্রিলিয়ন ইয়েন মূল্যমানের প্রজেক্টটি বেশ ঝামেলার মাঝে পড়ছে। এই প্রাক্তন পারমাণবিক শক্তিকেন্দ্রের ভেতরে পাঠানো রিমোট কন্ট্রোল প্রোবগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, ফলে জায়গাটি পরিণত হয়েছে রোবটের বধ্যভূমিতে।
 
২০১১ সালের ভুমিকম্পে এবং সুনামির ফলাফল হিসেবে ফুকুশিমা ডাইচি নিউক্লিয়ার প্ল্যান্টের তিনটি রিয়াক্টরে মেল্টডাউন ঘটে। গত ছয় বছর ধরে টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি টেপকো ৫৪৪ টন নিউক্লিয়ার ফুয়েল রড পরিষ্কার করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এ কাজে ব্যবহৃত রিমোট কন্ট্রোল্ড রোবটগুলো বারবারই ব্যর্থ হচ্ছে।
 
টেপকোর ডিকমিশনিং প্রোগ্রামের হেড নাওহিরো মাসুদা গত সপ্তাহে বলেন তাদের রোবটের ব্যর্থতার এই ব্যাপারটি সমাধান করা জরুরী হয়ে উঠেছে। আর নতুন ধরণের ক্লিন-আপ রোবট তৈরির চিন্তায় নতুনত্ব আনা দরকার বলেও তিনি মনে করেন। বাঁধাধরা চিন্তা থেকে বের হয়ে এসে কীভাবে নিউক্লিয়ার প্লান্টের কোর এবং গলিত নিউক্লিয়ার ফুয়েল পরিষ্কার করা যাবে তা নিয়ে ভাবতে হবে।
 
তোশিবার কাঁকড়াবিছে ধরণের রোবট ফেব্রুয়ারিতে ২ নং রিয়াক্টরে পাঠানো হয়। কিন্তু তার রাস্তায় বাঁধা থাকার কারণে লক্ষ্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। এটি যে পরিমাণ তেজস্ক্রিয়তা সহ্য করতে পারে তার পাঁচগুণ পরিমাণ তেজস্ক্রিয়তায় আক্রান্ত হয়। সে কিছু টেম্পারেচার রিডিং এবং রেডিয়েশন লেভেলের তথ্য পাঠাতে সক্ষম হলেও কোরের ছবি বা নিউক্লিয়ার রডের অবস্থান জানাতে অক্ষম হয়। একইভাবে আরও দুইটি রোবট প্লান্টের ভেতর আটকা পড়ে জ্বালানির অভাবে অচল হয়ে যায়।
 
“এই ফুয়েল সরানোর প্রক্রিয়া অনেক লম্বা হবে, ২০২০ বা তার চাইতেও বেশী সময় লাগতে পারে,” জানান জাকোপো বুনজোর্নো, ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজির নিউক্লিয়ার সায়েন্স অ্যান্ড এঞ্জিনিয়ারিং এর একজন অধ্যাপক। “নিউক্লিয়ার ফুয়েল জমাট বেঁধে সম্ভবত প্লান্টের দেয়াল এবং আভ্যন্তরীণ কাঠামোর সাথে আটকে গেছে। সুতরাং এই নিউক্লিয়ার বর্জ্য কেটে, চেঁছে, একটি নিরাপদ কন্টেইনারে ভরে সেখান থেকে নিয়ে আসতে হবে। আর এ সব কাজ রোবটের মাধ্যমে করতে হবে।”
 
সূত্র: আইএফএলসায়েন্স
Reactions:

0 comments:

NetworkedBlogs

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Blog Archive