Total Pageviews

Its Awesome!

Monday, March 6, 2017

 2:31 PM      ,    No comments


নাসার সোলার ডাইনামিকস অবজারভেটরি থেকে নেওয়া সূর্যের অবয়ব। ছবি: সংগৃহীত


ঘর থেকে বের হয়ে সকালের মিষ্টি মিষ্টি উষ্ণ সূর্যের আলোটাকে ধরতে ইচ্ছে করে অনেকেরই। সূর্য তো আসলে একটা উত্তপ্ত গ্যাসের পিন্ড, একে ধরা যাবে না আমরা সবাই জানি। কিন্তু গবেষকেরা এবার আসলেই এক টুকরো সূর্য ধরে এনেছেন পৃথিবীতে। আর সূর্যের এই অংশটা আপনি ইচ্ছে করলে হাত দিয়ে ধরতেও পারবেন।
 
টেক্সাসের হিউস্টনে আছে জনসন স্পেস সেন্টার। তার দুইটি ক্লিনরুমের মাঝে মেটালিক ওয়েফার এবং ফয়েলে ধরা আছে সৌরঝড়ের কণিকা। পনেরো বছর আছে এসব কণিকা সূর্যের পৃষ্ঠ থেকে মহাকাশে ছুটে চলে এসেছিল সেকেন্ডে ৭৫০ কিলোমিটার বেগে। সাধারণত এরা মহাশূন্যেই বিলীন হয়ে যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে এদেরকে ধরার জন্য ওঁত পেতে ছিল নাসার একটি মহাকাশযান। পৃথিবী এবং এবং সূর্যের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি যেখানে নেই হয়ে যায়, সেখানে সে ডানা মেলে অপেক্ষা করছিল এসব কণিকা সংগ্রহ করতে।
নাসার জেনেসিস মহাকাশযান। ছবি: সংগৃহীত
 
এই মহাকাশযানের নাম ছিল জেনেসিস। ২০০১ সালের ডিসেম্বর আর ২০০৪ সালের এপ্রিল মাসের মাঝে ৮৫০ দিনের জন্য সে সূর্য থেকে যতটা সম্ভব কণিকা সংগ্রহ করে সিলিকন, ডায়ামন্ড, গোল্ড, অ্যালুমিনিয়াম এবং স্যাফায়ারের মাঝে। এরপর সে ফিরে আসে পৃথিবীতে। কক্ষপথে থাকা অবস্থাতেই সংগ্রহ করা জিনিসগুলো একটা ক্যাপসুলে করে পৃথিবীতে পাঠায়। এরপর মহাকাশযানটির নিরাপদে পৃথিবীতে নেমে আসা হয়নি, সে উটাহ মরুভুমিতে ক্র্যাশ করে। সৌভাগ্যের ব্যাপার হলো এর পরেও কিছু কালেকশন ডিভাইস অক্ষত রয়ে যায়। জানুয়ারি ২০০৫ সালের মাঝে প্রথম স্যাম্পলটিকে গবেষণার জন্য প্রস্তুত করা হয়।
 
গবেষণায় দারুণ কিছু তথ্য পাওয়া যায়। দেখা যায়, এতদিন তাত্ত্বিকভাবে যাকে সোলার এনার্জেটিক পার্টিকেল বলা হত তার আসলে কোনো অস্তিত্ব নেই। সূর্যে অক্সিজেনের ১৬ আইসোটোপের পরিমাণ পৃথিবীর চাইতেও অনেক বেশী। এর কারণ কী তার ব্যাপারে অবশ্য এখনো নিশ্চিত নন বিজ্ঞানীরা।
 
সুত্র: লাইভ সায়েন্স

সম্পাদনা :  রুমানা বৈশাখী

Reactions:

0 comments:

NetworkedBlogs

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Blog Archive