Total Pageviews

Its Awesome!

Friday, February 10, 2017

 7:53 PM         No comments
ঢাকায় হঠাৎ করেই আবারও বেপরোয়া ছিনতাইকারী চক্র। ছিনতাই কাজে বেড়ে গেছে আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহারও। এসব ছিনতাইকারী চক্র ছিনতাই কাজে ব্যবহার করছে মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল। ছিনতাইকারী চক্রের টার্গেট নারীদের ভ্যানেটিব্যাগ, ব্যাগভর্তি টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল ফোনসেট। রাজধানীর ৪৯টি থানার ৮টি ডিভিশনাল জোনে চিহ্নিত ১৩৫টি ছিনতাই স্পট।

শুক্রবার দৈনিক জনকণ্ঠে প্রকাশিত ‘ছিনতাইকারী চক্র হঠাৎ বেপরোয়া, রাজধানীতে ১৩৫ স্পট’ শিরোনামে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
রাজধানীতে গড়ে প্রতি মাসে ২৩টি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে বলে জানা গেছে। গত তিনদিনে রাজধানীতে দিনদুপুরে গুলি করে টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনতাইয়ের তিনটি ঘটনা ঘটেছে। একের পর এক দুঃসাহসিক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর রাজধানীতে ছিনতাইকারী চক্রের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালানো হচ্ছে। ছিনতাইকারী চক্রের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযানের শুরুতে মঙ্গলবার ছিনতাইকারী চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সূত্রে এ খবর জানা গেছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান, ঢাকা মহানগর পুলিশের কাছে বেশিরভাগ ছিনতাইয়ের ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগীরা বাড়তি ঝামেলা এড়াতে থানায় মামলা বা জিডি না করে হাসপাতালে বা ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েই বাড়ি ফিরে যান। এ কারণে ছিনতাইয়ের সঠিক পরিসংখ্যান থাকে না থানাগুলোতে। ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাজধানীতে গড়ে প্রতি মাসে কমপক্ষে ২৩টি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। গত বছর জানুয়ারি থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত কেবলমাত্র ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছিনতাইয়ের শিকার ২৬২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। রাজধানীর ৪৯টি থানায় যেসব জিডি করা হয় তার বেশিরভাগই থানার আশপাশের রাস্তায় মোবাইল ও ল্যাপটপ ছিনতাইয়ের অভিযোগ। ভুক্তভোগীরা বলছেন, ছিনতাইকারীদের ধরতে পারছে না পুলিশ। থানায় অভিযোগ করেও খোয়া যাওয়া জিনিস ফেরত পাওয়া যায় না।
ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম, উত্তরা পূর্ব থানা এলাকা, বাড্ডা, বনানী, খিলক্ষেত, ভাষানটেক, মিরপুর, পল্লবী, কাফরুল, দারুস সালাম, নিউমার্কেট, মোহাম্মদপুর, তেজগাঁও, মতিঝিল, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী, গুলিস্তান, রামপুরা, হাজারিবাগসহ মহানগরীর থানা এলাকায় অন্তত প্রায় একশ ছিনতাইয়ের স্পটগুলোতে মোটরসাইকেলে, মাইক্রোবাসে ও অতর্কিত হামলা চালিয়ে নগদ টাকা ছিনতাই হচ্ছে। হঠাৎ করেই রাজধানীতে বেড়ে গেছে ছিনতাইয়ের ঘটনা। প্রায় প্রতিদিনই রাজধানীর কোন না কোন স্থানে ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। ভুক্তভোগীরা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যর্থতার কারণেই বাড়ছে ছিনতাই। ডিএমপির আটটি ক্রাইম জোনে শতাধিক ছিনতাইয়ের স্পট আর এসব জায়গায় সক্রিয় রয়েছে কয়েক ডজন ছিনতাইকারী চক্র। এদের মধ্যে মিরপুর ১ নম্বর গোলচত্বর থেকে টেকনিক্যাল মোড় পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করছে ছিনতাইকারী চক্রের একটি গ্রুপ। মেরুল বাড্ডা, রামপুরা মহাখালী, গুলশান, পান্থপথ, ফার্মগেট, মতিঝিল, ওয়ারী মৌচাক, হাতিরঝিল, শান্তিনগর, কাকরাইল, যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়া, বাবুবাজার, রাজারবাগ, কমলাপুর, ধানমন্ডি এলাকা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য গড়ে উঠেছে এলাকাভিত্তিক ছিনতাইকারী চক্রের গ্রুপ।
প্রিয় সংবাদ/আশরাফ/শান্ত
Reactions:

0 comments:

NetworkedBlogs

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Blog Archive