Total Pageviews

Its Awesome!

Wednesday, February 22, 2017

 11:41 AM         No comments


বিদ্যুতের অপচয় রোধে গ্রাহক পর্যায়ে প্রি-পেইড মিটার বসানো হচ্ছে। সরকার আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দুই কোটি গ্রাহকের কাছে প্রি-পেইড মিটার পৌঁছে দিতে চায়। বিতরণ কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে প্রি-পেইড মিটার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলেও মিটারের মূল্য গ্রাহককেই দিতে হবে। মাসিক কিস্তিতে এই মূল্য আদায় করা হবে। সিঙ্গেল ফেজের মিটারের জন্য গ্রাহককে মাসে ৪০ টাকা এবং থ্রি ফেজ মিটারের জন্য মাসে ২৫০ টাকা দিতে হবে। গ্রাহকের রিচার্জ কার্ডের ব্যালান্স থেকে প্রতি মাসে এই নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেওয়া হবে। গত সপ্তাহে বিদ্যুৎ বিভাগে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৃধবার দৈনিক সমকাল পত্রিকায় বিদ্যুতের প্রি-পেইড মিটারের দাম দিতে হবে গ্রাহককে’ শিরোনামে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। 
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ বলেন, গ্রাহকের ওপর যেন চাপ না পড়ে সে জন্য মিটারের দাম মাসিক বিলের সঙ্গে কিস্তিতে নেওয়া হবে। এ জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। সব বিতরণ কোম্পানির জন্য অভিন্ন এই নীতিমালা শিগগির চূড়ান্ত করা হবে। নীতিমালায় মিটারের মূল্য পরিশোধের পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে বলা থাকবে।

বিভিন্ন পাইলট প্রকল্পের আওতায় এক যুগ ধরে এই মিটার স্থাপনের কাজ চলছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে এক লাখ ১০ হাজার গ্রাহক প্রি-পেইড মিটার ব্যবহার করছেন। নীতিমালা কার্যকরের পর পুরনো প্রি-পেইড মিটারের গ্রাহকদেরও একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ মূল্য দিতে হবে বলে জানা গেছে। সিঙ্গেল ফেজ মিটার বাসাবাড়িতে এবং থ্রি ফেইজ মিটার বড় গ্রাহক, যেমন_ শিল্প কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠাতে ব্যবহার হবে। 
বর্তমানে ডিজিটাল মিটারে মাসিক ভাড়া ১০ থেকে ২০ টাকা। বিতরণ কোম্পানিগুলো দরপ্রক্রিয়ায় প্রি-পেইড মিটার সংগ্রহ করছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কাস্টম উিউটি (সিডি) ও ভ্যাট ছাড়াই একটি সিঙ্গেল ফেজ প্রি-পেইড মিটারের দাম পড়েছে দুই হাজার ৪০০ টাকা থেকে তিন হাজার ২০০ টাকা (৩০ থেকে ৪২ মার্কিন ডলার)। আর থ্রি ফেজ মিটারের দাম ১৫ হাজার ২০০ থেকে ১৯ হাজার ২০০ টাকা (১৯০ থেকে ২৪১ ডলার)। এভাবে একটি মিটারের দাম পরিশোধ হতে পাঁচ থেকে ছয় বছর লাগতে পারে।
Reactions:

0 comments:

NetworkedBlogs

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Blog Archive