Total Pageviews

Its Awesome!

Sunday, February 19, 2017

 12:24 PM      , , ,    No comments


 দেশে এখন উচ্চশিক্ষাতেও জুটছে না যুতসই চাকরি। ফলে প্রতিবছর উচ্চশিক্ষিতদের বড় একটি অংশই বেকার থেকে যাচ্ছে।
১৯ ফেব্রুয়ারি রোববার 'চাকরি জোটে না উচ্চশিক্ষায়ও' শীর্ষক শিরোনামে দৈনিক কালের কণ্ঠে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কর্মবাজারের সঙ্গে সংগতিহীন শিক্ষাব্যবস্থার কারণেই আজ এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। জেনারেল এডুকেশনে পড়ে কত লোক চাকরি পেতে পারে,তার কোনো হিসাব সরকারের কাছে নেই। এখনো এসএসসি ও এইচএসসি পাসের পর বেশির ভাগ শিক্ষার্থী জেনারেল এডুকেশনে পড়ছে। আর স্নাতকোত্তর শেষ করেও তাদের বড় অংশই বেকার থেকে যাচ্ছে।
ব্রিটিশ সাময়িকী দি ইকোনমিস্টের ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) সর্বশেষ (২০১৪ সালের মার্চে প্রকাশিত) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের ৪৭ শতাংশই বেকার। দক্ষিণ এশিয়ায় এর চেয়ে বেশি উচ্চশিক্ষিত বেকার আছে কেবল আফগানিস্তানে, ৬৫ শতাংশ। ভারতে শিক্ষিত বেকারের হার ৩৩ শতাংশ, পাকিস্তানে ২৮ শতাংশ, নেপালে ২০ শতাংশ ও শ্রীলঙ্কায় এ হার মাত্র ৭.৮ শতাংশ।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও উচ্চশিক্ষায় পরিকল্পনার অভাব রয়েছেএখানকার নীতিনির্ধারকরা জানেন না, শ্রমবাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কোন খাতে কত শিক্ষার্থী প্রয়োজন। বাংলাদেশের প্রধান গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো হলো তথ্য-প্রযুক্তি, কৃষিজাত খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জাহাজ নির্মাণ, তৈরি পোশাক খাত, পর্যটন ও পর্যটন সেবা, হালকা কারিগরি নির্মাণ খাত প্রভৃতি। কিন্তু এসব খাতের জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষায় শিক্ষিত যথাযথ কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন (বিশেষায়িত ও সাধারণ) কর্মীর অভাব রয়েছে।
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে শিক্ষার্থীরা নিজের আগ্রহ ও পছন্দের বিষয়ে পড়তে পারে নাপ্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে যে বিষয়ে তারা সুযোগ পায়, তাই পড়তে বাধ্য হয়। আর চাকরির ক্ষেত্রে যে সুযোগ আসে সেখানেই যোগ দিতে অনেকটা বাধ্য হয় তারা। 
সংশ্লিষ্টদের মতে মূলত দুই কারণে শিক্ষিত বেকার বাড়ছে। প্রথমত, কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ছে না। দ্বিতীয়ত স্কিল গ্যাপ (যোগ্যতার ঘাটতি) বাড়ছে। 
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভবিষ্যতে কোন খাতে চাকরির বাজার কেমন হবে, কোন বিষয়ের প্রতি জোর দিতে হবে আর কোন বিষয়ের অনুমোদন বাড়ানো যাবে না, সে হিসাব সরকারকেই রাখতে হবে। বিশেষ করে বিদেশে আমাদের কোন খাতের জনশক্তি প্রয়োজন, দেশেরও কোন খাতে দক্ষ লোক দরকার, সে হিসাব করেই কোর্সের অনুমোদন করতে হবে। 
Reactions:

0 comments:

NetworkedBlogs

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Blog Archive