Total Pageviews

Its Awesome!

Friday, February 10, 2017

 7:51 PM         No comments
নারীর পাশাপাশি পুরুষের বেলায়ও বিশেষ ক্ষেত্রে বিয়ের ন্যূনতম বয়স ছাড় দেওয়ার সুপারিশ করে গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন কমিটির সভাপতি রেবেকা মোমিন। বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিভিন্ন মহলের আপত্তি সত্ত্বেও বিশেষ বিধান বহাল রেখেই বহুল আলোচিত ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০১৬’ শীর্ষক বিল পাস করার সুপারিশ করেছে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। 

শুক্রবার দৈনিক কালের কণ্ঠে  'প্রস্তাবিত বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন: বিয়ের ন্যূনতম বয়সে ছাড় পাবে ছেলেরাও' শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আলোচিত ওই বিলে বিয়ের জন্য ছেলের বয়স ন্যূনতম ২১ এবং মেয়ের বয়স ১৮ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশেষ বিধানও রাখা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো বিশেষ প্রেক্ষাপটে অপ্রাপ্ত বয়স্ক কোনো নারীর সর্বোত্তম স্বার্থে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণক্রমে, বিবাহ সম্পাদিত হইলে উহা এই আইনের অধীন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে না। ’
ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্নোত্তর উত্থাপন করা হয় টেবিলে। এরপর বিলটি পাস করার সুপারিশ করে কমিটির পক্ষ থেকে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।
গত ৮ ডিসেম্বর সংসদে বিলটি উত্থাপন করেছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছিল। দুই দফা বৈঠকের পর বিলটি চূড়ান্ত করে কমিটি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মন্ত্রিসভায় বিলটি অনুমোদন দেওয়া হয় গত ২৪ নভেম্বর। প্রস্তাবিত আইনে বিয়ের জন্য ‘বিশেষ কেইসের’ ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান রাখায় দেশে-বিদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন, বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও বেসরকারি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই বিশেষ বিধান বাতিলের দাবি জানানো হয়। কিন্তু সর্বশেষ ওই বিধান রেখেই বিলটি উত্থাপন করা হয় জাতীয় সংসদে।
সংসদে উত্থাপিত বিলের ৩ ধারায় বলা হয়েছে, সরকার, বিধিমালা দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জাতীয়, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির সমন্বয়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটি গঠন করতে পারবে।
বিলের ৫ নম্বর ধারায় বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে আদালতকে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করলে অনধিক ছয় মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। মিথ্যা অভিযোগের জন্য একই দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
কোনো নারী ও পুরুষ বাল্যবিবাহ করলে দুই বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে বিলে। বাল্যবিবাহ নিবন্ধনের জন্য শাস্তি ও লাইসেন্স বাতিলেরও প্রস্তাব রয়েছে।
প্রিয় সংবাদ/শান্ত/আশরাফ     
Reactions:

0 comments:

NetworkedBlogs

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Blog Archive