Total Pageviews

Its Awesome!

Monday, December 5, 2016

 10:44 PM         No comments



তথ্য প্রযুক্তির হাত ধরে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। যার পেছনে অন্যতম অবদান রাখছে স্মার্টফোন। তাই আন্তর্জাতিকমানের বিশ্বখ্যাত স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশের প্রতি ঝুঁকছে। ইতোমধ্যেই দেশে স্যামসাং, হুয়াওয়ে, অপ্পো, এইচটিসি, জিওনি, শাওমি ইত্যাদি ব্র্যান্ডের কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে। সেই  ধারাবাহিকতায় এবার বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করছে চীনের জনপ্রিয় হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ড ‘ইনফিনিক্স’।

আগামীকাল মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে হোটেল সিক্স সিজনে ‘ইনফিনিক্স নোট থ্রি’ হ্যান্ডসেট উন্মোচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের কার্যক্রম শুরু করবে প্রতিষ্ঠানটি।  
এই বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশের বিপণন প্রধান চীনা নাগরিক জিয়াও লি. প্রিয়.কমকে বলেন, ইতোমধ্যে বিশ্ববাজারে আমাদের জিরো, নোট, হট এস এবং হট সিরিজের পণ্যগুলো পাওয়া যাচ্ছে। তবে বাংলাদেশের বাজারে প্রাথমিকভাবে আমরা দারাজ.কম.বিডি’র সঙ্গে ইনফিনিক্স নোট ৩ দিয়ে যাত্রা শুরু করতে চাই। 
নোট থ্রি সম্পর্কে তিনি বলেন, ৬ ইঞ্চি ডিসপ্লে’র এই স্মার্টফোনটিতে আছে ১.৩ গিগাহার্জ মিডিয়াটেক ৬৭৫৩ অক্টাকোর প্রসেসর, ২ জিবি র‍্যাম। ডিভাইসটির অভ্যান্তরীণ ধারণক্ষমতা হচ্ছে ১৬ গিগাবাইট যা বাড়ানো যাবে ১২৮জিবি পর্যন্ত। স্মার্টফোনটির সামনে ৫ মেগাপিক্সেল এবং পেছনে ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ও ডুয়েল এলইডি ফ্ল্যাশ ব্যবহার করা হয়েছে। ৪ হাজার ৫০০এমএএইচ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারির এই স্মার্টফোনটির আকর্ষনীয় ফিচার হচ্ছে ডিভাইসটি মাত্র পাঁচ মিনিট চার্জ দিয়ে ২০০ মিনিট কথা বলা যায়। 
আকর্ষণীয় গ্রাহকসেবা নিয়ে তিনি বলেন, আমরা দেখেছি অনেকেই ডিসপ্লে ভেঙ্গে ফেলেন বা ভেঙ্গে যায়। এবং কোম্পানিগুলো থেকে আসল ডিসপ্লে লাগানোর খরচও অনেক বেশি। তাই আমাদের পরিকল্পনায় এক বছরের ওয়ারেন্টি যুক্ত হ্যান্ডসেটগুলোর ডিসপ্লে যদি কোন কারণে প্রথম তিন মাসের মধ্যে ভেঙ্গে যায় তাহলে সেটা বিনামুল্যে পরিবর্তন করে দেওয়া হবে এবং সেটা একবারই।
ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নিয়ে জিয়াও বলেন, দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নিয়ে আমরা বাংলাদেশে এসেছি। আমরা চাই এদেশে উন্নত মোবাইল ফোন ও উন্নতমানের সেবা দিতে। সেই লক্ষ্যে মোবাইল বিক্রির আগেই আমরা ১১টি গ্রাহক সেবা কেন্দ্র তৈরি করে ফেলেছি। মূলত মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত গ্রাহকদেরকে টার্গেট করেই আমাদের স্মার্টফোনের বাজারে রাজত্ব করতে চাই। 
নিজেদেরকে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান দাবি করে প্রতিষ্ঠানটির কান্ট্রি ম্যানেজার ‘কুপার মা’ বলেন, আমাদের হ্যান্ডসেটগুলো ডিজাইনের কাজ হয় ফ্রান্সে। বর্তমানে আফ্রিকা ও চায়নাতে আমদের পাঁচটি ফ্যাক্টরি আছে, ভারতে একটি ফ্যাক্টরি’র কাজ চলছে। এ ছাড়াও চায়নাতে আরও তিনটি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রের পাশাপাশি অনেকগুলো দেশে আমাদের শাখা অফিস আছে। 
জানা যায়, চীনের ইনফিনিক্স ট্রান্সশন হোল্ডিংসের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইনফিনিক্স মোবাইল। ইনফিনিক্স ছাড়াও ট্রান্সশন হোল্ডিংসের টেকনো ও আইটেল নামে আরও দুইটি মোবাইল ফোন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ইতোমধ্যেই আইটেল বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। এ ছাড়াও  মোবাইল ও প্রযুক্তি পণ্যের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ নিয়ে ওরাইমো নামের আরও একটি ব্র্যান্ড পরিচালনা করছে ট্রানসেশন।
ইনফিনিক্স ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকাসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এশিয়ার মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ভিয়েতনামের পরে প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য এবার বাংলাদেশের বাজারে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করা। 
সম্পাদনা: ফকির কামরুল
Reactions:

0 comments:

NetworkedBlogs

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Blog Archive