Total Pageviews

Its Awesome!

Thursday, November 24, 2016

 11:00 AM         No comments


অনেক দিন পর আজ প্রিয় টেকের পাঠকদের জন্য লিখতে বসলাম একটি ছোট আকারের হ্যান্ডস-অন রিভিউ! আজকে আমি আপনাদের জন্য যে স্মার্টফোনটি রিভিউ করতে যাচ্ছি সেটি হচ্ছে আসুসের জেনফোন ২ ডিলাক্স স্মার্টফোনটি। আপনারা নিশ্চয়ই আসুসের জেনফোন ২ ডিভাইসটির নাম শুনেছেন? হ্যাঁ, আসুস জেনফোন ২-ই স্মার্টফোন জগতে সর্বপ্রথম ৪ গিগাবাইট র‍্যামের স্মার্টফোন হিসেবে খ্যাতি পেয়েছিল। ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটি ডিভাইসটির একটি ডিলাক্স ভার্সন বের করেছে এবং এটিই মূলত আমাদের আজকের প্রোডাক্ট যা আপনাদের জন্য আমি রিভিউ করতে যাচ্ছি। চলুন, সংক্ষেপে ডিভাইসটির স্পেসিফিকেশন জানার মাধ্যমেই আজকের এই ছোট আকারের হ্যান্ডস-অন রিভিউটি শুরু করা যাক। 

স্পেসিফিকেশন 

ডিভাইস - আসুস জেনফোন ২ ডিলাক্স
ডিসপ্লে - ৫.৫ ইঞ্চি আকারের আইপিএস ফুল এইচডি ডিসপ্লে
চিপসেট - ইন্টেল অ্যাটম
প্রসেসর - কোয়াড-কোর প্রসেসর
জিপিইউ - পাওয়ারভিআর জি৬৪৩০
র‍্যাম - চার গিগাবাইট
ক্যামেরা - ১৩ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা, ৫ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ফেসিং শুটার
স্টোরেজ - ৬৪ অথবা, ১২৮ গিগাবাইট অন-বোর্ড স্টোরেজ 
ব্যাটারি - ৩০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার নন-রিমোভাল ব্যাটারি
স্পেশাল ফিচার - এনএফসি

ডিসপ্লে

আসুস জেনফোন ২ ডিলাক্স স্মার্টফোনটিতে রয়েছে একটি ফুল এইচডি আইপিএস ৫.৫০ ইঞ্চি আকারের চমৎকার ডিসপ্লে প্যানেল। ডিসপ্লে ইউনিটটির পিক্সেল ঘনত্ব ৪০১ হওয়ায় বেশ ক্রিস্প আউটপুট দিয়ে থাকে এই প্যানেলটি। এছাড়াও ডিসপ্লে ইউনিটটির কালার রি-প্রোডাকশন বেশ ভালো এবং সরাসরি সূর্যের নিচেও ফুল ব্রাইটনেসে চোখের উপর কোন প্রকার প্রেশার ছাড়াই সহজে ব্যবহার করা যায় এই ডিভাইসটি। 
স্ক্রিনের আকার বড় হওয়ায় এবং কালার রি-প্রোডাকশন ভালো হওয়ায় ব্রাউজিং, ভিডিও দেখা থেকে শুরু করে ডিভাইসটিতে ডিসপ্লে সম্পর্কিত যে কোন কাজই ব্যবহারকারীরা উপভোগ করবেন বলেই আমার বিশ্বাস।

ডিজাইন

আসুস জেনফোন ২ ডিলাক্স ডিভাইসটির ডিজাইন এবং লুক হুবহু প্রতিষ্ঠানটির পূর্বের জেনফোন ২ স্মার্টফোনটির মত। শুধুমাত্র এর বিশেষত্ব হিসেবে ডিভাইসটির পেছন অংশে যুক্ত করা হয়েছে একটি টেক্সচারড ব্যাক প্যানেল। ডিভাইসটির এই ব্যাক প্যানেলে ব্যবহার করা হয়েছে চমৎকার ক্রিস্টালাইন প্যাটার্ন। ডুয়েল ম্যাট ফিনিশিং-এর এই প্যানেলটিতে আপনারা হরেক রকমের অ্যাংগুলার ভ্যারিয়েশনও দেখতে পাবেন। এই ভ্যারিয়েশনের জন্য একই সোর্সের আলোতেও ব্যাক প্যানেলের বিভিন্ন অংশে আপনি রঙের শেডের তারতম্য দেখতে পাবেন।
পাশাপাশি ডিভাইসটির এই রিমোভাল ব্যাক প্যানেলটি কার্ভড হওয়ায় হাতে ধরে ব্যবহারে বেশ ভালো গ্রিপ পাওয়া যায়।  

বিল্ড কোয়ালিটি

বেশ কিছুদিন ব্যবহারেও আমি ডিভাইসটিতে কোন বিল্ট-কোয়ালিটি সম্পর্কিত ত্রুটি দেখতে পাইনি। আমার কাছে এর গঠনশৈলী বেশ চমৎকারই মনে হয়েছে। 

হার্ডওয়্যার

আসুস জেনফোন ২ ডিভাইসটির মতই জেনফোন ২ ডিলাক্স স্মার্টফোনটিতে একই ধরণের হার্ডওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। স্মার্টফোনটিতে আছে একটি কোয়াড-কোর ইন্টেল অ্যাটম জেড৩৫৮০ সিস্টেম অন চিপ এবং ৪ গিগাবাইট র‍্যাম। তবে জেনফোন ২ রেগুলার ভার্সনটি ১৬ এবং ১২৮ গিগাবাইট অন-বোর্ড ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া গেলেও প্রতিষ্ঠানটি শুধুমাত্র এই জেনফোন ডিলাক্স ভার্সনটিতে ৬৪ ও ১২৮ গিগাবাইট অন-বোর্ড স্টোরেজের সুবিধা দিয়েছে। এছাড়া স্মার্টফোনটিতে এক্সটার্নাল মেমরি কার্ড ব্যবহারের সুবিধাতো রয়েছেই। ডিভাইসটিতে যুক্ত করা হয়েছে একটি ৩০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার নন-রিমোভাল ব্যাটারি ইউনিট। 
আসুস জেনফোন ২ ডিলাক্স স্মার্টফোনে একই সাথে দুটি মাইক্রো-সিম কার্ড ব্যবহারের সুবিধা থাকলেও শুধুমাত্র এর প্রাইমারি সিম স্লটটি ৪জি সমর্থিত। সেকেন্ডারি স্লটটিতে আপনি ২জি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারবেন।  

সফটওয়্যার

অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ ললিপপ, সাথে প্রতিষ্ঠানটির চমৎকার জেনইউআই তো মূল অপারেটিং সিস্টেমের উপরের লেয়ার হিসেবে থাকছেই। একটা কথা না বললেই নয় যে বর্তমানে স্মার্টফোনে যতগুলো ইউজার ইন্টারফেস আমরা ব্যবহার করছি সেগুলোর মধ্যে আসুসের জেনইউআই অন্যতম। এই ইউআইটিতে একজন ব্যবহারকারী বেশ কিছু টুইক সমূহের সুবিধা পাবেন। তাই এই ডিভাইসটিতে আপনি কোন সফটওয়্যার জনিত ইস্যু খুঁজে পাবেন না বললেই চলে। তবে হ্যাঁ, আসুসের ডিভাইসগুলোতে বেশ কিছু ব্লটওয়্যার প্রি-ইন্সটলড অবস্থায় থাকে এবং এই ডিভাইসটিও এর ব্যতিক্রম নয়।।

পারফরমেন্স 

শক্তিশালী প্রসেসিং ইউনিট এবং বেশি র‍্যাম থাকার কারণে স্মার্টফোনটি ব্যবহার করে আপনারা বেশ আনন্দ পাবেন। আমি আগেও আমার রিভিউগুলোতে লিখেছিলাম যে একটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের স্বাভাবিক দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের জন্য ২ গিগাবাইট র‍্যামই যথেষ্ট। তাহলে বুঝতেই পারছেন এই ডিভাইসটিতে ৪ গিগাবাইট র‍্যাম থাকায় আপনি ব্যাকগ্রাউন্ডে একই সাথে বেশ কিছু অ্যাপলিকেশন নিয়ে কাজ করতে পারবেন কোন রকম সমস্যা ছাড়াই।  

ক্যামেরা 

স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে বেশ বড় একটা অংশ ক্যামেরা ইউনিটকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে। আপনিও যদি সেই তালিকায় থেকে থাকেন তবে এই ডিভাইসের ক্যামেরা ইউনিটটি কিঞ্চিৎ হতাশ করতে পারে আপনাকে। আসুস জেনফোন ২ ডিলাক্স এবং আসুসের জেনফোন ২ স্মার্টফোন দুটিতে একই ক্যামেরা হার্ডওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি জেনফোন সেলফি এবং জেনফোন লেজার ডিভাইস দুটিতেও ব্যবহার করা হয়েছে হুবহু একই হার্ডওয়্যার তবে এগুলোতে লেজার-অটো ফোকাস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে যা আসুস জেনফোন ২ ডিলাক্স ডিভাইসটিতে অনুপস্থিত। লেজার-অটো ফোকাস সিস্টেমটি থাকলে আরও বেশি ভালো এবং নিখুঁত ছবি তোলা সম্ভব হত ডিভাইসটি থেকে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, লেজার-অটো ফোকাস সমৃদ্ধ জেনফোন সেলফি এবং জেনফোন লেজারের মূল্য কিন্তু জেনফোন ২ ডিলাক্স থেকে কম! তবুও যে প্রতিষ্ঠানটি কেন এই মূল্যের ডিভাইসটিতে কোন স্পেশাল হার্ডওয়্যার যুক্ত করেনি সেটাই আমাকে অবাক করেছে। 
ডিভাইসটি ব্যবহার করে যতগুলো ছবি আমি তুলেছি তার বেশীরভাগ ছবিতেই ওভার এক্সপোজার, কালার বার্ন এবং নয়েজের দেখা মিলেছে। এমনকি সর্বোচ্চ রেজ্যুলেশন ব্যবহার করে ছবি তুলেও আমি আমার আশানুরূপ ডিটেল পাইনি। অন্তত এই মূল্যের একটি স্মার্টফোনের ১৩ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরা ইউনিট থেকে আমি এরকমটা আশা করিনি। 
আসুস জেনফোন ২ ডিলাক্সের ক্যামেরা কোয়ালিটি আপনাকে বিমোহিত না করলেও এর স্টক আসুস ক্যামেরা অ্যাপলিকেশনটি আপনাকে মুগ্ধ করবে বলে আমি নিশ্চিত। এই স্টক অ্যাপলিকেশনটিতে রয়েছে বিভিন্ন মোড যা সহজেই বিভিন্ন ধরণের ছবি তুলতে আপনাকে সাহায্য করবে। মোডগুলোর মধ্যে ম্যানুয়াল, ডেপথ অব ফিল্ড, মিনিয়েচার, স্মার্ট রিমোভাল ইত্যাদি মোডগুলোর কথা না বললেই নয়। 
স্মার্টফোনটিতে সেলফি শুটার হিসেবে দেয়া হয়েছে একটি ৫ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ফেসিং শুটার যুক্ত করা হয়েছে যা মোটামুটি ভালোই এবং বেশ ওয়াইড আউটপুট দিয়ে থাকে। সেলফি তোলার ক্ষেত্রে আপনি ডিভাইসটিতে ডিফল্ট ভাবে বিউটি মোড অন করা অবস্থাতেই পাবেন। তবে সেলফির ক্ষেত্রে এই ডিভাইসটিতে চমৎকার একটি মোড ব্যবহারের সুযোগ পাবেন আপনি যা হচ্ছে এর সেলফি প্যানারোমা মোড! সেলফি প্যানারোমা মোডের সাহায্যে সহজেই বেশ কয়েকজন এক ফ্রেমেই এটে যাবেন এখন থেকে। 
নোট - আপনি চাইলে এই ডিভাইসটির সাথে জেন ফ্ল্যাশ নামের একটি আলাদা গ্যাজেট ব্যবহার করতে পারেন যা অপারেট করার জন্য এর একটি ডিফল্ট অ্যাপলিকেশন দেয়াই আছে স্মার্টফোনটিতে। চমৎকার এই গ্যাজেটটি দিয়ে অন্ধকারে বেশ ভালো ছবি আসলেও মোটামুটি ভালোই ব্যাটারি ড্রেইন করে থাকে এটি। গ্যাজেটটি মাইক্রো-ইউএসবি পোর্টের মাধ্যমে ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা হয়। 

বেঞ্চমার্ক এবং গেমিং পারফরমেন্স 

মূল্য অনুযায়ী স্মার্টফোনটির বেঞ্চমার্ক স্কোর আমার কাছে খুব একটা সন্তোষজনক মনে হয়নি। সাধারণ অবস্থায় এটি আনটুটুতে ৪২,৬৭০ এবং পারফর্মেন্স মোডে ৬২,৩০১ স্কোর জেনারেট করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া নেনামার্ক ২তে ডিভাইসটি স্কোর করেছে ৫৯.৭ এফপিএস এবং জিএফএক্স বেঞ্চে ২৯ এফপিএস। 
স্মার্টফোনটির আনটুটু স্কোর আমি আরও কিছুটা বেশীই দেখতে পাবো বলে ধারণা করেছিলাম। তবে ডিভাইসটির আনটুটুতে বেঞ্চমার্ক স্কোর আশানুরূপ না হলেও স্মার্টফোনে যারা গেম খেলে থাকেন তাদের জন্য এটি হতে পারে একটি আদর্শ ডিভাইস। জিটিএ স্যান অ্যান্ড্রিয়াস, অ্যাসফল্ট ৮, অ্যাসফল্ট এক্সট্রিম, নোভা, মডার্ন কমব্যাট ৫ সহ আমি আরও বেশ কিছু গেম খেলে দেখেছি স্মার্টফোনটিতে, কোন গেমেই আমি কোন রকম ল্যাগ বা অন্য কোন সমস্যার সম্মুখীন হইনি। এমনকি ডিভাইসটিতে বেশ কিছুক্ষণ গেম খেলার পর তেমন কোন হিটিং ইস্যুও পাইনি। 

মাল্টিমিডিয়া 

বড় এবং শার্প ডিসপ্লে হওয়ায় যে কোন প্রকারের ভিডিও কনটেন্ট দেখে ব্যবহারকারীরা আনন্দ পাবেন। এমনকি ডিভাইসটির অডিও কোয়ালিটিও বেশ ভালো। আমি বেশ কিছু আফটার মার্কেট হেডফোন ব্যবহার করে ডিভাইসটিতে গান শুনেছি এবং কোন হেডফোনই আমাকে অসন্তুষ্ট করেনি। তবে ডিভাইসটির মূল স্পীকার পেছনের দিকে নিচের অংশে রাখা হয়েছে। এর ফলে ক্ষেত্র বিশেষে মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট এক্সপেরিয়েন্স করার ক্ষেত্রে শব্দ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। 

ব্যাটারি 

স্মার্টফোনটিতে ৩০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার একটি নন-রিমোভাল ব্যাটারি ইউনিট ব্যবহার করা হয়েছে যা সাধারণ ব্যবহারে আপনাকে ১ দিন টানা ব্যাক-আপ দিতে সক্ষম। ডিভাইসটির ভিডিও লুপ টেস্টে টানা ৮ ঘণ্টা ৩৯ মিনিট দিতে সক্ষম হয়েছিল। তাই এক্ষেত্রে ব্যাটারি ব্যাক-আপ নিয়ে কোন অভিযোগ করা যাচ্ছেনা। অন্যদিকে ব্যাটারি চার্জ হতেও তুলনামূলক ভাবে বেশ কম সময় নেয়। 

ভালো এবং মন্দ দিক সমূহ 

যে কোন ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইসে কিছু ভালো এবং মন্দ দিক থাকবেই এবং আসুসের এই ডিভাইসটিও তার ব্যতিক্রম নয়। চলুন, সংক্ষেপে এর ভালো এবং মন্দ দিকগুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক - 
ভালো দিক সমূহ - 
চমৎকার ডিসপ্লে।
শক্তিশালী পারফরমেন্স।
এক্সটার্নাল মেমরি কার্ড ব্যবহারের সুবিধা।
ডাবল ট্যাপ লক এবং ওয়েক-আপ সুবিধা।  
চমৎকার লুক।
এনএফসি সুবিধা।
মন্দ দিক সমূহ -
মোটামুটি মানের ক্যামেরা।
অত্যধিক পরিমাণের ব্লটওয়্যার।
এই মূল্যে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার থাকা উচিৎ ছিল।
তেমন কোন নতুনত্ব নেই।

এই ছিল আজকের রিভিউ। আশা করি ছোট করে হলেও ডিভাইসটির সব ভালো এবং মন্দ দিকগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছি। এখন এই ডিভাইসটি আপনি কিনবেন কি না সেটা আপনার উপর নির্ভর করছে। আসুস জেনফোন ২ ডিলাক্স স্মার্টফোনটির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ২৩,৫০০ টাকার মত। আমাকে জিজ্ঞেস করলে বলব আপনি যদি আপনার স্মার্টফোন থেকে চমৎকার ক্যামেরা ইউনিট পেতে চান তবে এই মূল্যে এর চাইতেও ভালো ক্যামেরা ডিভাইস পাবেন আপনি প্রযুক্তি বাজারে। আর যদি আপনি একজন স্মার্টফোন গেমার হয়ে থাকেন এবং একই সময়ে অনেকগুলো অ্যাপলিকেশন ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে থাকেন তবে এটি হতে পারে আপনার জন্য একটি আদর্শ স্মার্টফোন। 
সম্পাদনা:মিজানুর রহমান
Reactions:

0 comments:

NetworkedBlogs

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Blog Archive