Total Pageviews

Its Awesome!

Monday, December 9, 2013

 7:46 AM      ,    No comments
.......... একটি সুখবর ..........

"এবার ইন্টারনেটের সর্বোচ্চ মুল্য বেঁধে দিতে যাচ্ছে বিটিআরসি: টেলিটক বাদে অন্য সব অপারেটরের অনীহা!"

দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষে এবার প্রথম বারের মতো ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের মূল্য বেঁধে দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। একই ইন্টারনেটের অসংখ্য প্যাকেজের বদলে ন্যূনতম কিছু প্যাকেজেই সীমাবদ্ধ করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। এর আগে বিটিআরসি মুঠোফোন কলরেটের উচ্চ এবং নিম্নসীমা বেঁধে দিয়েছিল।

পৃথিবীর ভেতর আরেক পৃথিবী!



 


জানা গেছে, প্রতি ১০০ এমবি ব্যান্ডউইথ ২০ টাকার নিচে নামিয়ে এনে নতুন করে প্যাকেজ নির্ধারণের উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে বিটিআরসি। বিটিআরসি’র অভ্যন্তরীণ বৈঠকে বিষয়টি নির্ধারণ করা হলেও চূড়ান্ত করার আগে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য ইতিমধ্যেই মোবাইল ফোন অপারেটরদের ডাকা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ বলেন, 'গ্রাহকদের কথা চিন্তা করে বাধ্য হয়েই রেগুলেশনে নামতে হচ্ছে। তবে যা কিছু করা হোক না কেন আলোচনার মাধ্যমে সব ঠিক করা হবে।'

গত ২৭ নভেম্বর বৈঠকের প্রথম বৈঠক ডাকা হয়েছিল। পরে সেটি বদলে ২ ডিসেম্বর এবং শেষে ৪ ডিসেম্বর করা হয়। কিন্তু শেষ দিকে শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটকের প্রতিনিধি বৈঠকে এলেও অবরোধের কারণ দেখিয়ে অন্যরা অপারগতা প্রকাশ করেছে। প্রাইভেট অপারেটরদের এই নির্লিপ্ত মনোভাবে বিষ্ময় প্রকাশ করেন বিটিআরসির উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাগণ।

এদিকে এই উদ্যোগে যারপর নাই নাখোশ দেশের বেসরকারী অপারেটররা। পুন:নির্ধারিত তারিখেও অবরোধের অজুহাত দেখিয়ে অনুপস্থিত থাকা তাদের এই শীতল মনোভাবেরই প্রমাণ বলে মনে করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিটিআরসির এক কর্মকর্তা। তিনি আরো বলেন, 'এমন অবস্থা নতুন নয়। এর আগেও ১০ সেকেন্ড পালস চালুর সময়ও একমাত্র টেলিটক ব্যতীত বাকি সব অপারেটরই এমন নির্লিপ্ত মনোভাব দেখিয়েছে।'

বেসরকারী অপারেটরদের মতে, মোবাইল ফোন ইন্টারনেটের বাজার এখনো ততটা পোক্ত হয়নি। সুতরাং এ ধরনের উদ্যোগ নেয়ার আগে আরো খানিকটা সময় দেয়া উচিত।


যৌনতা এবং ভয়ের ছবি ‘রাগিণী এমএমএস টু’


এদিকে বৈঠকে সেদিন উপস্থিত হয়া টেলিটকের প্রতিনিধি দলের একজন এই প্রতিবেদক কে জানান, 'সরকারের যেকোন নির্দেশ জনস্বার্থেই প্রদান করা হয়ে থাকে। আর জনস্বার্থে টেলিটক যেকোন যৌক্তিক নির্দেশনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ইন্টারনেটের মুল্য নিয়ে কোন নির্দেশনা এলে আমরা অবশ্যই তা মেনে নেব।'

তিনি আরো বলেন, 'অন্য অপারেটররা যে আসলে জনস্বার্থ থেকে মোটা অংকের মুনাফাকেই প্রাধান্য দেয়, সেটা তাদের থ্রিজি প্যাকেজের নির্ধারিত মুল্য দেখেই প্রমাণ পেয়েছেন গ্রাহকরা। আর বাংলাদেশের ডাটা মার্কেট গ্রোয়িং, তাই এত বড় 'লাভের গুড়'-এ বিটিআরসি হানা দিলে তো তারা অসন্তুষ্ট হবেই। তবে টেলিটক সুলভ মুল্যে সন্তোষজনক থ্রিজি সেবা দেশব্যাপী দ্রুত ছড়িয়ে দেয়ার যাত্রায় অবিচল আছে, থাকবে।'

উল্লেখ্য,২০০৮ সালে বিটিআরসি প্রথম কল রেট সর্বনিম্ন ২৫ পয়সা এবং সর্বোচ্চ ২ টাকা বেঁধে দেয়। ২০১১ সালে স্থানীয় এসএমএস-এর মূল্য বেধে দেয়া হয় সর্বোচ্চ ৫০ পয়সা। আর আন্তর্জাতিক এসএমএস সর্বোচ্চ দুই টাকা। গত বছর বিটিআরসি সকল প্যাকেজে বাধ্যতামূলক ১০ সেকেন্ডের পালস চালু করে।

পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বার বার তাগাদা দেয়া সত্তেও একমাত্র টেলিটক ছাড়া বাকি কোন অপারেটরই বিটিআরসির নির্দেশ পূর্ণ বাস্তবায়ন করেনি।







Reactions:

0 comments:

NetworkedBlogs

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Blog Archive