Total Pageviews

Its Awesome!

Tuesday, December 17, 2013

 5:56 PM         No comments

স্টুডেন্টবিডি২৪এক্সক্লুসিভঃ-নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন ও তফসিল স্থগিত করার দাবিতে চলমান অবরোধ কর্মসূচিতে আর বিরতি আসছে না। নির্বাচন পর্যন্ত এ কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট।
আজসহ চলতি সপ্তাহের  তিনদিন ও আগামী সপ্তাহের পুরো কার্যদিবস ঘিরেই থাকছে অবরোধ। আর ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অবরোধের সঙ্গে যোগ হচ্ছে নতুন কর্মসূচি অসহযোগ। এতে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা চলছে দেশের বিশিষ্ট নাগরিকদের। বিএনপির দলীয় একাধিক সূত্রে এসব কর্মসূচির বিষয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে দাবি পূরণ হলে কর্মসূচি প্রত্যাহার করবে বিএনপি জোট।
সূত্র জানাচ্ছে , নির্দলীয় সরকারের দাবিটি এখন বিএনপি জোটের প্রধান দাবি। এ দাবিতে লাগাতার আন্দোলন করে আসছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট। দাবি আদায়ে হরতাল হয়েছে দফায় দফায়। এখন চলছে অবরোধের পালা। গত ২৫ নভেম্বর দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে চারদফায় দীর্ঘ অবরোধ পালন করেছে এ জোট।
সর্বশেষ আজ মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে আরও তিনদিনের অবরোধ। বিএনপি নেতারা বলছেন এ অবরোধে আর বিরতি থাকছে না। আগামীতে যোগ হবে নতুন কর্মসূচি।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার বলেন, ‘সারা দেশটা এখন জেলখানা। এ অবস্থা থেকে জাতিকে মুক্ত করতে আন্দোলনের বিকল্প নেই। আর আন্দোলন বলতে অবরোধই তাদের বড় হাতিয়ার। তবে নতুন কর্মসূচির কথাও ভেবে রেখেছে বিএনপি।
দলীয় সূত্রমতে, নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে তিনদফা মহাসচিব পর্যায়ের আলোচনার পর আর সমঝোতার আশা দেখছেন না বিএনপির হাইকমান্ড। জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের বিশেষ দূত অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোর উদ্যোগও কার্যত ব্যর্থ হয়েছে। মহাসচিব পর্যায়ের আলোচনায় কোনো ফল দেখা যায়নি।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একজন নেতা মঙ্গলবার  বলেন, সরকার এখন পর্যন্ত যে অবস্থানে তাতে আশার কিছুই নেই। এখন  নিশ্চিতভাবেই দেশ ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকেই যাচ্ছে। এতে সহিংসতার আরো আশঙ্কা করছেন তিনি। দলের অন্য নেতারাও তাই মনে করছেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সরকারের ধরন এবং সকলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে ১৮দলের আন্দোলন চলছে। বিভিন্নস্তরে আলোচনা হয়েছে ও চলছে কিন্তু  আশা করার মতো কিছুই ঘটেনি। এখন আন্দোলনই একমাত্র পথ তাদের সামনে। তিনি মনে করছেন নিশ্চিতভাবেই দেশ গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে।
বিএনপির দলীয় সূত্রগুলি আরো বলছে, এজন্য আন্দোলনের আর বিরতি না টেনে ৫ জানুয়ারি নির্বাচন পর্যন্ত আন্দোলনকে আরও কঠোর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু ছুটির দিন শুক্রবার বিরতি থাকবে অবরোধে। আগামী সপ্তাহের শুরুতে অর্থাৎ ২১ ডিসেম্বর থেকে আবারো অবরোধ আসবে।
তবে ২৯ ডিসেম্বর থেকে অবরোধের সঙ্গে যোগ হবে অসহযোগ আন্দোলন। এতে দেশের বিশিষ্ট নাগরিকদের নিয়ে মাঠে থাকার চিন্তাভাবনা রয়েছে বিএনপির। আর আন্দোলনের পথনকশা নির্ধারণে ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অভিজ্ঞতা অনুসরণ করতে চাইছে বিএনপি।
বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘বিএনপি সংলাপের মাধ্যমে সংকট উত্তরণের  পক্ষে। এজন্য এখনো কঠোর কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়নি। আমাদের আশা ছিল সরকার সঙ্কট উত্তরণে পদক্ষেপ নেবে। কিন্তু তার আশা এখন নেই। ফলে আন্দোলনের পথেই থাকবে বিএনপি জোট। সরকারকে আর সুযোগ দেওয়া হবে না।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য  মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘সংলাপের মাধ্যমে সমঝোতার আর কোনো সম্ভাবনা আমরা দেখছি না। এ অবস্থায় গণতন্ত্র রক্ষায় আন্দোলন ছাড়া কোনো পথ খোলা থাকছে না বিএনপির সামনে। ফলে আন্দোলনের মাত্রা বাড়িয়ে সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করাই এখন বিএনপির একমাত্র লক্ষ্য।
Reactions:

0 comments:

NetworkedBlogs

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Blog Archive