Total Pageviews

Its Awesome!

Thursday, December 12, 2013

 1:27 PM         No comments

বুধবারই সমকামিতাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে বলেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। যতক্ষণ না সংসদ আইন করে এই ধারা লোপ করছে ততক্ষণ সমকামিতা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারাকে মান্যতা দিয়ে সমলিঙ্গে যৌনসম্পর্ক অপরাধ বলে রায় দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। আর ভারতের সুপ্রিম কোর্ট এমন রায়ে লেসবিয়ান, গে, বাই সেক্সুয়াল ট্রান্সজেন্ডারা যেমন ব্যথিত হয়েছে তেমনি বলিউডের নামি দামি তারকারাও ভারতের সুপ্রিম কোর্টের এমন রায়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। সম্প্রতি টুইটারে ভালোবাসার অধিকার নিয়ে বলিউড তারকারা যেসব মন্তব্য করেন:


মাত্র ৭ দিনে ওজন কমান ৪-৫kg । কি বিশ্বাস হচ্ছেনা? তাহলে দেখেনিন ৭ দিনের খাবার তালিকা ।।

অনুপম খের:
যখন আমরা মঙ্গলে যাত্রা করছি তখনও সাম্যে বিশ্বাস করি না। ৩৭৭ ধারাই তা প্রমাণ করে।
সোনু নিগম:
সুপ্রিম কোর্টের বিচারকরা ঠিক করে দেবে এলজিবিটিরা কার সঙ্গে সম্পর্কে যাবে। আমি চাইব তাদের জন্য যৌনসঙ্গী খুঁজে দিতে। উট চলবে?
মধুর ভান্ডারকর: 
ঠিক যখন ভাবতে শুরু করেছিলাম যে আমরা ভবিষ্যতের দিকে এগোচ্ছি, তখনই শীর্ষ আদালতের রায় শুনে মনে হল আমরা প্রস্তর যুগে রয়েছি। হতাশা যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত।
কুনাল কোহলি:
১১/১২/১৩ তারিখে সুপ্রিম কোর্ট মধ্যযুগে ফিরে গেল।
দিয়া মির্জা:
আমি লজ্জিত। ৩৭৭ ধারা-এর থেকে বেশি ভয়ঙ্কর কিছু হতে পারে না যে গণতান্ত্রিক দেশের দণ্ডবিধিই এতটা অগণতান্ত্রিক।
সেলিনা জেটলি:
আজকের রায় সেইসব লজ্জাজনক রায়ের মধ্যে পড়ে যেখানে নিম্নতর আদালতের রায়কে অপমান করেছে শীর্ষ আদালত। মানুষকে রক্ষা করতে আইন তৈরি হয়েছে। কিন্তু ৩৭৭ ধারা মানুষকে ব্ল্যাকমেল করছে, অপমান করছে, অধিকার খর্ব করছে।
সিদ্ধার্থ: 
এলজিবিটি কমিউনিটির প্রিয় বন্ধুরা, এরপর যখনই মহান ভারত নিয়ে কেউ কিছু বলতে আসবে, তাদের মুখের ওপর জবাব দিও।
রীতেশ দেশমুখ:
শীর্ষ আদালতের অবিচার।
পুনম পান্ডে: যদি মানুষের মৌলিক অধিকারে কোনও আঘাত না আসে, তবে মানুষ শোয়ার ঘরে কী করছে তাতে সরকারের কী এসে যায়?
নেহা ধুপিয়া: 
৩৭৭ ভালবাসা কী করে বেআইনি হয়?
শ্রুতি হাসান: 
৩৭৭ ধারা ভয়ঙ্কর। ভালবাসা কী করে অন্য কেউ নির্ধারণ করে দিতে পারে? মানুষের অধিকারই আর আইনত সিদ্ধ রইল না।
উল্লেখ্য, ভারতীয় ছবিতে বিভিন্ন সময়ে বিষয়বস্তু হিসেবে উঠে এসেছে সমকামিতা। ভারতে ১৯৯৭ সালের সমকামী ছবি তৈরির পথপ্রদর্শক দীপা মেটার 'ফায়ার' , ২০০৪ সালের গার্লফ্রেন্ড, ২০০৫ সালের 'মাই ব্রাদার নিখিল', ২০০৭ সালের 'হনিমুন ট্রাভেলস প্রাইভেট লিমিটেড', ২০০৮ সালের 'দোস্তানা',২০০৮ সালের 'ফ্যাশন', ২০১০সালের 'ডোননো হোয়াই...না জানে কিঁউ' প্রমুখ।
Reactions:

0 comments:

NetworkedBlogs

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Blog Archive