Total Pageviews

Its Awesome!

Wednesday, December 4, 2013

 6:58 PM         No comments
১৯৭১ এর ডিসেম্বর মাসে দেশের বিভিন স্থান থেকে একের পর এক এলাকা মুক্ত হওয়ার খবর আসতে থাকে। প্রতিটি রণাঙ্গলে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্র বাহিনী ভেঙ্গে দিতে থাকে পাকবাহিনীর প্রতিরক্ষাব্যূহ। ৪ ডিসেম্বর ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী কলকাতায় এক বিশাল সমাবেশে বাংলাদেশের প্রতি তাঁর পূর্ণ সমর্থনের কথা জানান। পাকিস্তানের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতি ও সৈন্য প্রত্যাহারের প্রস্তাব উত্থাপন করে, কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়ন এতে ভেটো দেয়। এর ফলে পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতির আকাঙ্ক্ষা ভেস্তে যায়। আর জাতিসংঘে উত্থাপন করেন জর্জ বুশ (জর্জ ডব্লিউ বুশের বাবা)।




বিয়ের আগে যৌনসম্পর্ক আবশ্যক: শারলিন SUPER BASTERD

এদিকে যৌথ বাহিনীর তিনটি ডিভিশন পঞ্চগড়, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা দিয়ে প্রবেশ করে ঢাকা অভিমুখে অগ্রসর হতে থাকে। এদিন মুক্তি হয় বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা, শেরপুর, সিরাজগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকা মুক্ত হয়। এদিকে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শিবির চালিয়ে যাচ্ছিল তাদের অপতৎপরতা। জামায়াত ইসলামীর আমীর মওদূদী পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়াকে খানকে সমর্থন দেয়ার আশ্বাস দেন। এদিকে গণচীনও সে সময়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে ছিল। ইয়াহিয়া খান বাঙ্গালীদের ধ্বংস করে দেয়ার প্রত্যয় জানালেও রণাঙ্গনের ঘটনা ছিল ভিন্ন। ৩ নম্বর সেক্টরের যোদ্ধারা শমসের নগর বিমানবন্দর ও আখাউড়া রেলস্টেশন দখল করে। ৮ নম্বর সেক্টরে মুক্ত হয় মেহেরপুর।
Reactions:

0 comments:

NetworkedBlogs

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Blog Archive