Total Pageviews

Its Awesome!

Wednesday, December 4, 2013

 7:02 PM         No comments

সাইক্লোন বলুন, টাইফুন বলুন আর হারিকেন বলুন, সব ধরণের ঝড়েই প্রকৃতি লন্ডভন্ড হয়ে যায়। মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীর জীবন হারানোর কথা বাদ দিলেও গাছপালা এবং বিভিন্ন অবকাঠামোর যে ক্ষতি হয় তা সামলে উঠতেই লাগে বহু দিন। এই ঝড়ের তান্ডবে প্রচুর ধুলোবালি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতির তুলনায় একে আমরা তেমন আমল দেই না কারণ ধুলোবালি আর কতটা ক্ষতি করবে? কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে, টাইফুনের মাধ্যমে তেজস্ক্রিয় বর্জ্যও ছড়িয়ে পড়তে পারে, যেমনটা হচ্ছে জাপানে। ২০১১ সালের মার্চে ফুকুশিমা দুর্ঘটনায় যেসব তেজস্ক্রিয় পদার্থ পরিবেশে মুক্ত হয়ে যায় সেগুলোকেই দেশজুড়ে ছড়িয়ে দিচ্ছে এসব টাইফুন।
প্রতি বছরই টাইফুনের আঘাত সহ্য করতে হয় জাপানকে। কিন্তু এরই সাথে সাথে এখন তেজস্ক্রিয়তার ঝুঁকিও যোগ হয়েছে। ফ্রান্সের ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ল্যাবরেটরি (LSCE) এবং জাপানের সুবাকি ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা এই তথ্য জানতে সক্ষম হন। দুই বছর আগে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় মাটিতে যেসব তেজস্ক্রিয় দূষক পদার্থ পতিত হয়, ঝড়ো হাওয়া এবং বৃষ্টিতে এসব পদার্থ ছড়িয়ে পড়ে এবং বিশেষত বিভিন্ন জলাধারে মিশে যায়। এসব পদার্থের মাঝে রয়েছে সিজিয়াম কণা এবং অন্যান্য তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেগুলো বিভিন্ন নদীনালার জলপ্রবাহে পতিত হচ্ছে। এসব সিজিয়াম কণা দূষিত করছে সুপেয় পানি এবং খাদ্যবস্তু। ২০১১ সালে যেসব মানুষ এই দুর্ঘটনার কবল থেকে বেঁচে গিয়েছিলো, অন্যত্র বসবাস করার পরেও তারা এখন এই তেজস্ক্রিয়তা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।


মেয়ের বস্ত্রহীন ভিডিও দেখে গর্বিত মা!!! PROSTITUTES

“এসব টাইফুনে প্রচুর পরিমাণে মাটি ছড়িয়ে যায়,” বলেন LSCE গবেষক অলিভিয়ের এভরার্ড। এত দিন পরেও এই তেজস্ক্রিয়তা যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ। শীতের বরফ গলে যাবার পর এসব মাটি থেকে তেজস্ক্রিয়তা গিয়ে পড়ে বিভিন্ন নদীতে। এছাড়াও বিভিন্ন গবেষণায় এটা প্রমাণিত হয় যে মাটি ক্ষয়ের মাধ্যমেও ক্ষতিকর সিজিয়াম-১৩৪ এবং ১৩৭ কণা ফুকুশিমা থেকে বিভিন্ন নদীর পানিতে গিয়ে পড়ে এবং তা থেকে প্রশান্ত মহাসাগরে পতিত হয়।
“অক্টোবরে বেশ শক্তিশালী একটি টাইফুন জাপানের উত্তর-পূর্ব উপকূলের দিকে অগ্রসর হয় এবং এর গতিপথের শুরুতে ছিলো ফুকুশিমা। বলা হয়েছিলো এই ঝড় বিগত ১০ বছরের মাঝে সবচাইতে শক্তিশালী, এর কেন্দ্রের কাছেও বাতাসের গতি ছিলো ঘণ্টায় ১২৫ মাইল,” বলেন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস টাইমস এর ডেভিড কাশি। যদিও জাপানের কর্মকর্তারা দাবি করেন যে সাগরের পানিতে পতিত হবার পরে এই তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ কমে যায়। অগাস্ট মাসে গবেষকরা জানান যে ফুকুশিমার দুর্ঘটনার ফলে সৃষ্ট তেজস্ক্রিয় ঢেউ ২০১৪ সালের মাঝে উত্তর আমেরিকায় পৌঁছাবে। তবে এই গবেষণার সাথে জড়িত ডক্টর এরিক ভ্যান সেবিল এর মতে, ততদিনে এর তেজস্ক্রিয়তা অনেক কমে যাবে এবং কোনও ঝুঁকি থাকবে না।
“ফুকুশিমা দুর্ঘটনার তিন বছর পরে আমেরিকার পশ্চিম উপকূলে তেজস্ক্রিয় পদার্থের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যেতে পারে,” বলেন ভ্যান সেবিল। তবে জাপান ছাড়ার সাথে সাথেই WHO এর বেঁধে দেওয়া ক্ষতিকর মাত্রার নিচে চলে যায় এসব পদার্থের তেজস্ক্রিয়তা, তাই তাদের চিন্তিত হবার তেমন কিছু নেই। চিন্তিত হতে হবে জাপানের মানুষের যাদের ওপরেই তেজস্ক্রিয়তায় আক্রান্ত হবার ঝুঁকি রয়ে গেছে এখনও।
Reactions:

0 comments:

NetworkedBlogs

Popular Posts

Recent Posts

Text Widget

Blog Archive